প্রচ্ছদ / স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা / রোজা রেখে ব্যায়াম, খেয়াল রাখবেন যে বিষয়গুলো
home-ad-620-x-90

রোজা রেখে ব্যায়াম, খেয়াল রাখবেন যে বিষয়গুলো

খবর২৪.কম: বছর ঘুরে শুরু হয়েছে বিশ্ব মুসলিমদের পবিত্রতম মাস রমজান। সেহরি থেকে ইফতার পর্যন্ত সকলপ্রকার পানাহার থেকে বিরত থাকবেন মুসলিমরা। রোজাদারদের খাবারের সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দৈনন্দিন লাইফস্টাইলেও পরিবর্তন আসবে, যার মধ্যে রয়েছে ব্যায়ামের মতো জরুরি বিষয়।

সারা দিন কোনো খাবার বা পানি না খেয়ে ব্যায়াম করার ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা নেয়ার প্রয়োজন রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। এছাড়া এবারের রমজান হচ্ছে গরমের সময়ে, ফলে দরকার বাড়তি সতর্কতা।

যুক্তরাজ্যের স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. রাঞ্জ সিং বলেন, এসময় তিনটি বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। তা হলো, এই সময়ে খাবার ও পানির বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেয়ার পাশাপাশি হালকা ব্যায়াম করতে হবে এবং যতটা বেশি সময় সম্ভব বিশ্রামে থাকতে হবে।

ঢাকার বডি ইমেজের এক প্রশিক্ষক সুরঞ্জিত দে বলেন, ‘রমজানের সময় ইফতারির অন্তত এক ঘণ্টা পরে ব্যায়াম করা উচিত। বেশি কষ্ট করতে হয় না বা লাফঝাঁপ করতে হয় না, সেরকম ব্যায়াম করতে হবে। বিশেষ করে পেটের মাসলের, হাতের বা পায়ের ব্যায়াম করা যেতে পারে। যারা ডায়াবেটিস বা নিয়মিত কাজের অংশ হিসাবে হাঁটাহাঁটি করতে চান, তাদেরও উচিত ইফতারির অন্তত এক ঘণ্টা পরে হাঁটাহাঁটি করা।’

তিনি বলেন, ‘লক্ষ্য রাখতে হবে, রোজার সময় বেশি ঘাম হয় বা বুক ধড়ফড় করে এমন কোন ব্যায়াম করা যাবে না। গরমের সময় রোজা হওয়ার কারণে দিনের বেলায় কোন ব্যায়াম না করাই ভালো। তাহলে আর পানিশূন্যতার কোন ঝুঁকি তৈরি হবে না।’

ফিটনেস প্লাস বাংলাদেশের একজন প্রশিক্ষক রাফি হাসান বলেন, ‘রমজানের সময় আমরা সবাইকে হালকা ব্যায়াম করার পরামর্শ দেই। যেমন হাত বা পায়ের হালকা ব্যায়াম, ইয়োগা জাতীয় ব্যায়াম ইত্যাদি। কেউ যদি ভারী ব্যায়াম, ওজন তোলা বা সাইক্লিং করতে চান, তাদের জন্য পরামর্শ দেব ইফতারের পর এগুলো করার জন্য।’

তবে হাঁটাহাঁটি করার মতো ব্যায়াম যেকোনো সময়েই করা যেতে পারে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘তবে বিকালে না হেঁটে বরং সকালে সেহরির পরপরই হাঁটাহাঁটির কাজটি করে ফেলতে পারলে ভালো। বিশেষ করে ডায়াবেটিক রোগীরা বিকালে হাঁটবেন না, কারণ এ সময় রক্তে শর্করা অনেক কমে যায়।’

ব্যায়ামের সঙ্গে খাবার

রোজার সময় যারা নিয়মিতভাবে ব্যায়াম করতে চান, তাদের খাদ্য তালিকায় অবশ্যই শর্করা জাতীয় খাবার রাখতে হবে। ইফতার, রাতের খাবার এবং শেষ রাতের খাবারে শর্করা জাতীয় খাবার অবশ্যই রাখতে হবে, যা থেকে দ্রুত ক্যালরি পাওয়া যাবে।

ইফতারে ডাবের পানি, ডিম, কমপ্লেক্স কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার রাখতে হবে। সারাদিন রোজা থাকার পর এ জাতীয় খাবার শরীরে দ্রুত শক্তি যোগাবে। এরপর রাতের খাবারে ব্রাউন রাইস, চিকেন এবং সেহরি পর্যন্ত অবশ্যই তিন থেকে চার লিটার পানি খেতে হবে। কেউ যদি মিষ্টি খাবার খেতে চান, তাহলে সেটি খাওয়া উচিত রাতের ব্যায়ামের পরে।

ব্যায়ামের পোশাক

হাঁটাহাঁটি বা ব্যায়াম করার সময় হালকা, সুতি কাপড় পড়ার পরামর্শ দিয়েছেন জিম প্রশিক্ষকরা। বিশেষ করে এমন কাপড় পড়তে হবে, যাতে শরীরে কোন টান না লাগে।

web-ad

আপনার মতামত দিন

আপনার ই-মেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না, এই চিহিৃত ঘরটি অবশ্যই পূরণ করতে হবে *

*