প্রচ্ছদ / খেলাধুলা / মুশফিকের বিশ্বরেকর্ড !
home-ad-620-x-90

মুশফিকের বিশ্বরেকর্ড !

অনলাইন ডেস্কঃ সেঞ্চুরিকে এর আগেও ডাবল সেঞ্চুরিতে রূপ দিয়েছেন মুশফিক। সেটি আজ থেকে পাঁচ বছর আগে, ২০১৩ সালে শ্রীলঙ্কার গলে। আজ তিনি পেয়ে গেলেন তার ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় দ্বি–শতকটি। এর মাধ্যমে অনন্য এক কীর্তিই গড়েছেন মুশফিক। ক্রিকেট ইতিহাসে একমাত্র উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান হিসেবে টেস্টে দুটি ডাবল সেঞ্চুরির রেকর্ড যে নেই আরো কারওরই। শুধু তা ই নয়, ২১৯ রানের এই ইনিংসে টেস্টে বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংসে সাকিব আল হাসানকে (২১৭) পেছনে ফেলেছেন মুশফিক।

মুশফিকের ইনিংসের কল্যাণে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ৫২২ রানের বিশাল সংগ্রহ গড়েছে বাংলাদেশ। মুশফিককে সঙ্গ দিয়ে মেহেদী হাসান মিরাজ শেষ পর্যন্ত ৬৮ রানে অপরাজিত ছিলেন। টেস্টে এটি মিরাজের দ্বিতীয় ফিফটি।

দিনের শুরুটা চমৎকার করেছিল বাংলাদেশ। প্রথম দিন শেষে অপরাজিত মুশফিকুর রহিম ও মাহমুদউল্লাহ দ্বিতীয় দিনের প্রথম ঘণ্টটা পার করে দেন দারুণভাবে। জিম্বাবুয়ের বোলারদের ওপর চড়াও হয়ে ৭৩ রানের জুটি গড়ে বড় কিছুরই ইঙ্গিত দিচ্ছিলেন তারা। কিন্তু মধ্যাহ্ন বিরতির ঠিক পরপরই মাহমুদউল্লাহ জার্ভিসের বলে অলস এক শট খেলে উইকেটের পেছনে চাকাভাকে ক্যাচ দেন। ৩৬ রানে বিদায় নিয়ে টেস্টে আরো একটি ইনিংস ন্যুনতম ফিফটিহীন কাটালেন তিনি।

মাহমুদউল্লাহর বিদায়ের পর উইকেটে আসা আরিফুল হক খুব বেশিক্ষণ ছিলেন না। ১৮ বল খেলে ৪ রান করে সেই জার্ভিসের বলেই গালিতে ব্রায়ান চারিকে ক্যাচ দেন সিলেট টেস্টে অভিষিক্ত এই ব্যাটসম্যান। খুব দ্রুত দুটি উইকেট পড়ে গেলেও উইকেটের এক প্রান্ত দারুণভাবেই আগলে রেখেছিলেন মুশফিক।

দারুণ এই ইনিংসে ৪২১ বল খেলেছেন মুশফিক। বল খেলার দিক দিয়ে এটি বাংলাদেশের পক্ষে দীর্ঘতম ইনিংস। এই রেকর্ড তিনি টপকেছেন মোহাম্মদ আশরাফুলকে। গলের যে টেস্টে মুশফিক তার প্রথম ডাবল সেঞ্চুরিটি পেয়েছিলেন, সেটিতেই আশরাফুল ৪১৭ বল খেলে ১৯০ রানে ফিরেছিলেন। এতদিন সেটিই ছিল টেস্টে বাংলাদেশের হয়ে খেলা সবচেয়ে লম্বা ইনিংস। মুশফিকের ২১৯ রানের ইনিংসে বাউন্ডারি ১৮টি। ছয় ১টি।

আরিফুল যখন বিদায় নেন, তখন বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩৭৮। সংগ্রহটা দল কতদূর নিতে পারবে, সবার ভাবনাটা যখন এমন, ঠিক তখনই নিজের ব্যাটিং প্রতিভাটা মেলে ধরেন মেহেদী হাসান মিরাজ। ২০১৭ সালে ভারতের বিপক্ষে হায়দরাবাদ টেস্টে ক্যারিয়ারের প্রথম ফিফটি পাওয়া মিরাজ আজ জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে খেললেন অপরাজিত ৬৮ রানের ইনিংস। ১০২ বল খেলে ৫টি চার ও একটি ছক্কায় সাজানো এই ইনিংসটি অনেক দিক দিয়েই গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর এই ইনিংস বাংলাদেশের সংগ্রহটাকে ৫ শ পেরিয়ে যেতে সহায়তা করেছে। মুশফিককে দিয়েছে দারুণ নির্ভরতা। অনেকটা নিজের মতো করে খেলেই ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ডাবল সেঞ্চুরিটা তুলে নিয়েছেন তিনি। বড় একটা ধন্যবাদ পেতেই পারেন মেহেদী।

জিম্বাবুয়ের পক্ষে সেরা বোলার কাইল জার্ভিস। ২৮ ওভার বল করে ৭১ রানে ৫ উইকেট নিয়েছেন তিনি। এ ছাড়া তেন্দাই চাতারা আর ডোনাল্ড তিরিপানো তুলে নেন একটি কর উইকেট।

 

 

web-ad

আপনার মতামত দিন

আপনার ই-মেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না, এই চিহিৃত ঘরটি অবশ্যই পূরণ করতে হবে *

*