প্রচ্ছদ / আর্ন্তজাতিক / সব রিক্রুটিং এজেন্সি শ্রমিক পাঠাতে পারবে মালয়েশিয়ায়
home-ad-620-x-90

সব রিক্রুটিং এজেন্সি শ্রমিক পাঠাতে পারবে মালয়েশিয়ায়

অনলাইন ডেস্ক :বাংলাদেশ থেকে দশটি রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে যে প্রক্রিয়ায় মালয়েশিয়ায় জনশক্তি রপ্তানি চলছিল, তা বাতিল করে সব রিক্রুটিং এজেন্সির জন্য দ্বার উন্মুক্ত করতে যাচ্ছে মালয়েশিয়া সরকার।

বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে জি টু জি চুক্তি এবং জি টু জি প্লাস চুক্তির পরও মালয়েশিয়ায় জনশক্তি রপ্তানি নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে বাংলাদেশের শ্রমবাজার। দেশের ১০টি রিক্রুটিং এজেন্সির সিন্ডিকেটের কারণে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়। সরকার ৯৫৭টি রিক্রটিং এজেন্সির লাইসেন্স মালয়েশিয়াস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে পাঠালেও ওই ১০ রিক্রটিং এজেন্সির সিন্ডিকেট ছাড়া অন্য কেউ শ্রমিক পাঠানোর অনুমতি পায়নি। সিন্ডিকেটের কারণে জি টু জি চুক্তি অনুযায়ী শ্রমিকদের কাছ থেকে কয়েকগুণ অতিরিক্ত অর্থ আদায় করতো রিক্রটিং এজেন্সিগুলো। বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক পাঠানোর ক্ষেত্রে নানা ধরনের অনিয়ম, দুর্নীতির অভিযোগ ওঠার পর মালয়েশিয়ার সরকার গত বছর তা স্থগিত করে দেয়।

মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদ বলেছেন, বিদেশি শ্রমিক নিয়োগের ক্ষেত্রে দেশ ভেদে কোনো পার্থক্য না করে একটি অভিন্ন পদ্ধতি চালু করা হবে। মালয়েশীয় গণমাধ্যম দ্য স্টার অনলাইন এ খবর প্রকাশ করেছে।

মাহাথির বলছেন, বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক নিয়োগের ক্ষেত্রে বর্তমানে অনুমোদিত ১০ রিক্রুটিং এজেন্ট পদ্ধতি বাতিল করা হবে এবং সব এজেন্টদের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হবে।

মাহাথির মোহাম্মদ বলেছেন, অবৈধ শ্রমিকদের নিয়ে সরকার সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে। তাই একটি সাধারণ পদ্ধতি চালু করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

পার্লামেন্টে বিদেশি শ্রমিক বিষয়ক এক বৈঠকের পর এক সংবাদ সম্মেলনে মাহাথির মোহাম্মদ বলেন, ‘বাংলাদেশ, নেপাল ও অন্যান্য দেশগুলো থেকে শ্রমিক আনতে একই পদ্ধতি অনুসরণ করা হবে।’

তিনি বলেন, ‘এর ফলে একচেটিয়া পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল এবং অনেক রিক্রুটিং এজেন্সি জনপ্রতি ২০ হাজার রিঙ্গিত পর্যন্ত নিত।’

‘তাই আমরা সব রিক্রুটিং এজেন্টদের জন্য প্রতিযোগিতার দ্বার খুলে দিচ্ছি।’

২০১৬ সালের শেষের দিকে এই পদ্ধতিতে বাংলাদেশ থেকে ১০ হাজারের বেশি শ্রমিক মালয়েশিয়াতে এসেছে। আরও এক লাখ শ্রমিক আসার অপেক্ষায়।

প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, শ্রম বাজার তথ্য ও বিশ্লেষণ ইনস্টিটিউট (আইএলএমআইএ)-এর অধীনে একটি স্বাধীন কমিটি গঠন করা হবে। যার সভাপতি হবেন একজন শীর্ষ সরকারি কর্মকর্তা, সাবেক বিচারক বা সচিব। এই কমিটি শ্রমবাজারের তথ্যও বিশ্লেষণ করবে।

‘আমাদের এই সমস্যা মোকাবিলা করতে হবে। আর এই সমস্যায় মোকাবিলায় আমাদের এই কমিটি প্রয়োজন।’

মাহাথির বলেছেন, মানবসম্পদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে মন্ত্রী পর্যায়ের একটি যৌথ কমিটি গঠন করা হবে।

তিনি বলেছেন, খুব শিগগির বিদেশি শ্রমিক ইস্যুতে নেপাল সরকারের সঙ্গেও একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হবে।

‘বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে আমাদের যেমন জি টু জি চুক্তি হয়েছে। এই পদ্ধতিটাও তেমন হবে।’

web-ad

আপনার মতামত দিন

আপনার ই-মেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না, এই চিহিৃত ঘরটি অবশ্যই পূরণ করতে হবে *

*