প্রচ্ছদ / লীড নিউজ / মুক্তিযোদ্ধা সার্টিফিকেট টেম্পারিং, দুই কনস্টেবল প্রার্থীসহ গ্রেপ্তার ৫
home-ad-620-x-90

মুক্তিযোদ্ধা সার্টিফিকেট টেম্পারিং, দুই কনস্টেবল প্রার্থীসহ গ্রেপ্তার ৫

স্টাফ রিপোর্টার :অন্যের মুক্তিযোদ্ধা সার্টিফিকেট টেম্পারিং করে পুলিশের কনস্টেবল পদে চাকুরী প্রার্থীসহ ৫জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এঘটনায় ধামরাই থানায় বৃহস্পতিবার একটি মামলা (নং২৭) দায়ের করা হয়েছে।

পুলিশ উদ্ধার করেছে ৫লক্ষ ৪০হাজার টাকা।

গ্রেপ্তারকৃতরা হচ্ছেপুলিশের কনষ্টেবল প্রার্থী ঢাকা জেলার ধামরাই থানার বাটুলিয়া গ্রামের তোতা মিয়ার পুত্র মো: : রাজ্জাক। একই জেলার কালামপুর গ্রামের বাচ্চু মিয়ার ছেলে মো: মনির হোসেন।

এছাড়া গ্রেপ্তারকৃত অন্যরা হচ্ছেধামরাই থানার শ্রীরায়পুর গ্রামের মৃত মফিজ উদ্দিনের ছেলে মো: আয়নাল হোসেন, মানিকগঞ্জ জেলার সাটুরিয়া থানার বরুন্ডি গ্রামের মৃত শুকুর আলীর ছেলে মো: : আলীম ধামরাই থানার চান্ডিপাড়া হাতকোড়া গ্রামের নুরুল ইসলামের পুত্র মো: উজ্জল হোসেন।

পলাতক রয়েছে পুলিশের কনষ্টেবল পদে আরেক চাকুরী প্রার্থী ধামরাই থানার ললিতনগর গ্রামের মো: নুরুল ইসলামের পুত্র মো: মনোয়ার হোসেন।

গ্রেপ্তারকৃতদের বৃহস্পতিবার দুপুরে আদালতে পাঠালে আদালত জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিন দিনের পুলিশ রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।

ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার শাহ মিজান শাফিউর রহমান জানাান, ঢাকা জেলা থেকে নারী পুরুষসহ ৮৩৬জন পুলিশ কনষ্টেবল পদে নিয়োগ পাবে। এর মধ্যে মুক্তিযোদ্ধা কোটা ২৫০জন থাকলেও প্রার্থী ছিল ৩৩জন।

পুলিশ সুপার বলেন, মুক্তিযোদ্ধা কোটায় কনষ্টেবল পদে চাকুরী প্রার্থী মো: : রাজ্জাকের ভেরিভিকেশন করার সময় মুক্তিযোদ্ধা সার্টিফিকেটের সাথে বাড়ির অন্য কাগজপত্রে গরমিল পাওয়া যায়।

তিনি বলেন, : রাজ্জাকের পিতার তোতা মিয়ার নামে মুক্তিযোদ্ধার সনদ দাখিল করা হয়েছে তাতে তোতা মিয়ার পিতার নাম মরহুম জৈয়নুদ্দিন তালুকদার লেখা রয়েছে। ভেরিভিকেশনে প্রার্থীর দাদার নাম গরমিল পাওয়া যায়। প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা তোতা মিয়ার সাথে যোগাযোগ করলে জানায় : রাজ্জাক নামে তার কোন সন্তান নেই।

পরে জিজ্ঞাসাবাদে ৮লক্ষ টাকা চুক্তিতে মুক্তিযোদ্ধা সনদ জাল করে চাকুরী পাইয়ে দেয় আয়নাল, আলীম উজ্জল, নজরুল ইসলামসহ অজ্ঞাতনামা /৩জন।

পুলিশ গ্রেপ্তাকৃত আয়নাল হাসেনের কাছ থেকে ৫লাখ আলিমের কাছ থেকে ৪০হাজার টাকা উদ্ধার কেের।

একইভাবে প্রার্থী মনির হোসেনের পিতার বাচ্চু মিয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদের সাথে প্রার্থীর দাদার নামে গরমিল রয়েছে।

আরেক প্রার্থী মনোয়ার হোসেনের বাবার মুক্তিযোদ্ধার সনদের সাথেও একই গড়মিল পাওয়া যায়। তবে পুলিশ মনোয়ারকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি।

পুলিশ সুপার বলেন, অন্যের মুক্তিযোদ্ধা সনদ টেম্পারিং করে দালালের মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকুরী প্রার্থী হয়েছিল তারা।

এঘটনায় জড়িত অন্যদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ সুপার।

web-ad

আপনার মতামত দিন

আপনার ই-মেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না, এই চিহিৃত ঘরটি অবশ্যই পূরণ করতে হবে *

*