প্রচ্ছদ / লীড নিউজ / বকেয়া বেতন পরিষোধ না করে কারখানা বন্ধ, শ্রমিকদের বিক্ষোভ
home-ad-620-x-90

বকেয়া বেতন পরিষোধ না করে কারখানা বন্ধ, শ্রমিকদের বিক্ষোভ

স্টাফ রিপোর্টার : বকেয়া এক মাসের বেতন-ভাতা না দিয়ে বিদেশী মালিকানাধীন একটি পোশাক কারখানা বন্ধের নোটিশ দেয়ার শ্রমিকরা ক্ষুব্ধ হয়ে বিক্ষোভ দেখিয়েছে। পরে শিল্প পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে।

রোববার সকালে আশুলিয়ার জামগড়ার বেরন এলাকায় অবস্থিত ভারতীয় মালিকানাধীন ‘শেড ফ্যাশনস লিমিটেড কারখানায় এই ঘটনা ঘটে।

পুলিশ সুপার (শিল্প পুলিশ-১) কাওসার শিকদার জানান, কারখানায় কাজ না থাকায় ভারতীয় মালিকানাধীন শেড ফ্যাশনের কর্তৃপক্ষ এক মাসের (মার্চ) বকেয়া বেতন-ভাতার দিতে না পারায় মুল ফটকে বন্ধের নোটিশ টাঙ্গিয়ে দিয়েছে।

কারখানার প্রয় ২৬শ’ শ্রমিক সকালে কারখানায় এসে বন্ধের নোটিশ দেখে ফুঁসে উঠে। তারা বিক্ষোভ দেখাতে থাকলে তাদেরকে বুঝিয়ে শান্ত করা হয়।

তিনি বলেন, মালিক পক্ষ আগামী বৃহস্পতিবার বেতন-ভাতা পরিষোধের আশ্বাস দিয়েছেন। তবে এর আগেরও চার বার বকেয়া পরিষোধের জন্য সময় নির্ধারন করা হলেও সে প্রতিশ্রুতি রাখতে পারেনি কর্তৃপক্ষ। তবে এবারও বেধেদেয়া সময়ে বেতন-ভাতা পরিষোধ করতে পারবে কিনা তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করছেন শ্রমিকরা।

শ্রমিকদের অভিযোগ, কারখানা কর্তৃপক্ষ তাদের বকেয়া বেতন-ভাতা পরিশোধ না করেই গত ১৩ এপ্রিল থেকে ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত কারখানা বন্ধ ঘোষণা করেন। পরে শ্রমিকরা ১৮ এপ্রিল কাজে যোগদিতে গিয়ে কারখানার মুল ফটকে দেখতে পায় ২৩ এপ্রিল কারখানা খোলা থাকবে। শ্রমিকরা আজ (রোববার) সকালে কাজে যোগ দিতে গিয়ে দেখে মুল ফটকে তালা, আগামী ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত কারখানা বন্ধ।

এদিকে বেতন-ভাতা না পেয়ে কারখানাটির শ্রমিকরা মানবেতর জীবনযাপন করছে বলে অনেকেই জানিয়েছেন।

শিল্প পুলিশের এসপি কাওসার শিকদার আরো জানান, বিকালে যে কোন সময় বিজিএমইএ, কারখানা কর্তৃপক্ষ ও শ্রমিক প্রতিনিধির সাথে বকেয়ার বিষয়ে আলোচনার কথা রয়েছে। আলোচনার পরেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে কর্তৃপক্ষ।

গামের্ন্টস শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের সাধারন সম্পাদক খায়রুল মামুন মিন্টু জানান, বিজিএমইএ ভবনে আজ (রোববার) বিকালে বকেয়া পরিষোধ ও কারখানা খুলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে। সেখানে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের কর্মকর্তা, কারখানা কর্তৃপক্ষ, শ্রমিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, শ্রমিক প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবে।

তিনি আরো জানান, মালিকপক্ষ কারখানাটি চালাবে না। গোপনে বিক্রির ব্যবস্থা করছে। বৈঠকে আগে বেতন পরিষোধের ব্যবস্থা ও পরে কারখানা চালু রাখলে সময়মতো বেতন-ভাতা পরিষোধ করা নিয়ে আলোচনা হবে।

তবে এসব বিষয়ে কথা বলার জন্য শেড ফ্যাশনে কাউকে পাওয়া যায়নি।

web-ad

আপনার মতামত দিন

আপনার ই-মেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না, এই চিহিৃত ঘরটি অবশ্যই পূরণ করতে হবে *

*