প্রচ্ছদ / আর্ন্তজাতিক / প্যারিসে সন্ত্রাসী হামলায় পুলিশ নিহত, আইএসের দায় স্বীকার
home-ad-620-x-90

প্যারিসে সন্ত্রাসী হামলায় পুলিশ নিহত, আইএসের দায় স্বীকার

খবর ডেস্ক : ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের স্যঁজ এলিজিতে এক সন্ত্রাসী হামলায় বৃহস্পতিবার এক পুলিশ সদস্য নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে দু’জন। পরে পুলিশের গুলিতে হামলাকারী নিহত হয়। নিরাপত্তা সংস্থার কাছে ওই হামলাকারীর নাম আগে থেকে সন্দেহভাজন হিসেবে নথিভুক্ত ছিল। তবে কর্তৃপক্ষ তার নাম এখনও প্রকাশ করেনি।

হামলার দায় স্বীকার করেছে মধ্যপ্রাচ্যের জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট (আইএস)। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের কয়েকদিন আগে এই হামলা হলো। এ খবর দিয়েছে ফ্রান্স ২৪।

খবরে বলা হয়, পর্যবেক্ষকরা অনেকদিন ধরেই রোববারের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে ফ্রান্সে এ ধরণের রক্তাক্ত হামলার আশঙ্কা করছিলেন। ২০১৫ সালের পর বেশ কয়েকবার সন্ত্রাসী হামলা হয়েছে ফ্রান্সে। নতুন করে এই সহিংসতার ফলে ভোটাররা নিরাপত্তাকেই প্রধান অগ্রাধিকার হিসেবে বেছে নেবেন।

প্যারিসের স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে প্যারিসের বিশ্ববিখ্যাত প্রশস্ত পথ (ব্যুলেভার্ড) স্যঁজ এলিজিতে একটি পুলিশ ভ্যানের ওপর স্বয়ংক্রিয় আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে গুলি করতে থাকে হামলাকারী। এর পরপরই সেখানে অবস্থানরত পর্যটক ও পরিদর্শকরা প্রাণভয়ে দৌঁড়াতে শুরু করেন। আরেক বিশ্বখ্যাত স্থাপনা আর্ক দ্য ট্রিওমস থেকে কয়েকশ’ মিটার দূরে এই হামলার ঘটনাস্থল। এক পুলিশ কর্মকর্তাকে হত্যা ও তার দুই সহকর্মীকে আহত করে পালানোর সময় পুলিশের পাল্টা গুলিতে সে নিহত হয়।

নিজেদের বার্তাসংস্থা আমাকে আইএস এক বিবৃতির মাধ্যমে হামলার দায় স্বীকার করে। বিবৃতিতে বলা হয়, হামলাকারী ছিল ‘ইসলামিক স্টেটের একজন যোদ্ধা’। ৩৯ বছর বয়সী ফরাসি ওই হামলাকারী আগে থেকেই সন্ত্রাসবাদ-বিরোধী পুলিশের কাছে পরিচিত ছিল। হামলার পর প্যারিসের পূর্বপাশের শহরতলীতে তার ঠিকানায় পুলিশ অভিযান চালিয়েছে। ২০০৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে তিনটি হত্যাচেষ্টার দায়ে তাকে ১৫ বছরের কারাদন্ড দেওয়া হয়।

ফ্রান্স ২৪-এর খবরে বলা হয়, ফরাসি আসন্ন নির্বাচনে এ হামলার ফল এখনও স্পষ্ট নয়। রোববার প্রথম দফার ভোটাভুটি অনুষ্ঠিত হবে। তবে হামলার পর উগ্র ডানপন্থী নেত্রী ম্যারিন ল্যঁ পেন, মধ্যপন্থী ইমানুয়েল ম্যাক্রন ও কেলেঙ্কারিতে পর্যদুস্ত রক্ষণশীল ফ্রাঁসোয়া ফিলন তাদের নিজ নিজ প্রচারাভিযান বাতিল করেছেন।

এখন পর্যন্ত বিভিন্ন জনমত জরিপে দেখা যাচ্ছে, ভোটাররা সন্ত্রাসবাদ বা নিরাপত্তার চেয়ে বেকারত্ব ও তাদের ব্যয় সক্ষমতা নিয়ে বেশি উদ্বিগ্ন। তবে বিশ্লেষকরা সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, সহিংস ঘটনা ঘটলে এ পরিস্থিতি পালটে যেতে পারে।

web-ad

আপনার মতামত দিন

আপনার ই-মেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না, এই চিহিৃত ঘরটি অবশ্যই পূরণ করতে হবে *

*