প্রচ্ছদ / শিক্ষাঙ্গন / শুরু হলো এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা
home-ad-620-x-90
একটি পরীক্ষাকেন্দ্র পরিদর্শন করছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ

শুরু হলো এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা

অনলাইন ডেস্ক  :  শুরু হলো এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। এবার মোট ১৭ লাখ ৮৬ হাজার ৬১৩ জন শিক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে। প্রথম দিনে অনুষ্ঠিত হচ্ছে বাংলা প্রথম পত্রের পরীক্ষা। বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি স্কুল কেন্দ্র পরিদর্শন করেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুর ইসলাম নাহিদ।

পরে, পরীক্ষার সার্বিক পরিবেশ নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে তিনি বলেন, একই ধরনের উত্তরপত্রে সব শিক্ষার্থী যেন সমানভাবে নম্বর পেতে পারে, সেই ব্যবস্থা করা হচ্ছে। দুই হাজার প্রধান পরীক্ষককে এ ব্যাপারে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। তারা বাকি পরীক্ষকদের এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে বলবেন।

শিক্ষামন্ত্রী আরও জানান, বাংলাদেশ এডুকেশন ডেভেলপমেন্ট ইউনিটের সহায়তায় এই ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। একই ধরনের উত্তরপত্রে একেক পরীক্ষক একেক রকম নম্বর দেন। এটি যাতে না হয়, সে জন্যই এমন ব্যবস্থা।

সকাল দশটায় শুরু হওয়া এ পরীক্ষায় মোট ১৭ লাখ ৮৬ হাজার ৬১৩ জন শিক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে। এর মধ্যে ছাত্র ৯ লাখ ১০ হাজার ৫০১ জন এবং ছাত্রী ৮ লাখ ৭৬ হাজার ১১২ জন। ২০১৬ সালের তুলনায় এ বছর পরীক্ষার্থী বেড়েছে এক লাখ ৩৫ হাজার ৯০ জন। এরমধ্যে ছাত্র ৬৭ হাজার ৫৬৮ জন এবং ছাত্রী ৬৭ হাজার ৫২২ জন। পরীক্ষার্থীদের মধ্যে নিয়মিত ১৬ লাখ ৭ হাজার ১২৪ জন আর অনিয়মিত ১ লাখ ৭৬ হাজার ১৯৮ জন। এছাড়া বিদেশি আটটি পরীক্ষা কেন্দ্রে ৪৪৬ জন্য পরীক্ষাথী আছে।

মোট পরীক্ষার্থীর মধ্যে আটটি সাধারণ বোর্ডে ১৪ লাখ ২৫ হাজার ৯০০ জন। এর মধ্যে ছাত্র ৭ লাখ ২ হাজার ২৯৯ জন ও ছাত্রী ৭ লাখ ২৩ হাজার ৬০১জন। ছাত্রের তুলনায় ছাত্রী ২১ হাজার ৩০২ জন বেশি।

মাদ্রাসা বোর্ডে মোট পরীক্ষার্থী ২ লাখ ৫৬ হাজার ৬০১ জন। এর মধ্যে ছাত্র ১ লাখ ৩০ হাজার ৫৮৫ জন ও ছাত্রী ১ লাখ ২৫ হাজার ৯১৬ জন। আর কারিগরি বোর্ডের অধীনে ১ লাখ ৪ হাজার ২১২ জন পরীক্ষার্থী রয়েছে। এর মধ্যে ছাত্র ৭৭ হাজার ৬১৭ জন ও ছাত্রী ২৬ হাজার ৫৯৫ জন ।

এবার প্রশ্নপত্রে এমসিকিউ অংশের ১০ নম্বর কমিয়ে সৃজনশীলে ১০ নম্বর বাড়ানো হয়েছে। অর্থাৎ, ১০০ নম্বরের পরীক্ষা হলে সেখানে এমসিকিউ অংশের নম্বর হবে ৩০ এবং সৃজনশীল অংশের নম্বর হবে ৭০। এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় বাংলা ২য় পত্র এবং ইংরেজি ১ম ও ২য় পত্র ছাড়া সব বিষয়ে সৃজনশীল প্রশ্নে পরীক্ষা হচ্ছে।

দৃষ্টি প্রতিবন্ধী, সেরিব্রালপালসিজনিত প্রতিবন্ধী এবং যাদের হাত নেই এমন প্রতিবন্ধী পরীক্ষার্থী এবং শ্রবণ প্রতিবন্ধী পরীক্ষার্থীদের অতিরিক্ত ৩০ মিনিট সময় দেয়া হয়। এ বছর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি এবং কারিগরি শিক্ষা নামে দুটি নতুন বিষয় যুক্ত হয়েছে।

সময়সূচি অনুযায়ী, ২ ফেব্রুয়ারি থেকে ২ মার্চ পর্যন্ত তত্ত্বীয় পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ৪ মার্চ  ব্যবহারিক পরীক্ষা ব্যবহারিক পরীক্ষা শুরু হবে; চলবে ১১ মার্চ পর্যন্ত। গত কয়েক বছর ধরে ফেব্রুয়ারির প্রথম দিন এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। এ বছর সরস্বতী পূজার কারণে একদিন পিছিয়ে ২ ফেব্রুয়ারি শুরু হয়।

web-ad

আপনার মতামত দিন

আপনার ই-মেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না, এই চিহিৃত ঘরটি অবশ্যই পূরণ করতে হবে *

*