প্রচ্ছদ / লীড নিউজ / ধামরাইয়ের উন্নয়ন ও রাজনীতিতে আধুনিক নতুন ধারার প্রবর্তক এম এ মালেক
home-ad-620-x-90
ধামরাইয়ের সংসদ সদস্য এম এ মালেক

ধামরাইয়ের উন্নয়ন ও রাজনীতিতে আধুনিক নতুন ধারার প্রবর্তক এম এ মালেক

মোঃ বাবুল হোসেন, ধামরাই  :  ধামরাইয়ের উন্নয়ন ও  রাজনীতিতে আধুনিক ধারা প্রবর্তন করেছেন সংসদ সদস্য জনবন্ধু আলহাজ্ব এম এ মালেক। যিনি ছোট বেলা থেকেই বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে মনেপ্রাণে ভালবাসেন এবং বুকে লালন করেন বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে।

তিনি শুধু একজন আধুনিক রাজনীতিবীদ নন তিনি একজন সফল ও সাহসী মুক্তিযোদ্ধাও। এম এ মালেক, ধামরাইয়ের মানুষের মাঝে ধুমকেতুর মতো উপস্থিতি ঘটে ২০১৪ সালের ৫ই জানুয়ারির জাতীয়  নির্বাচনে।

ধামরাই উপজেলা আওয়ামীলীগের সংগ্রামী ও সফল সভাপতি  হিসাবে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন নিয়ে ধামরাইয়ে তার আগমন ঘটেছিল এক উজ্জ্বল ধ্রুব তারার মতো।

বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ ব্যাংক মেঘনা ব্যাংকের পরিচালক এম এ মালেক ক্ষমতায় এসেই স্থাপন করেছিলেন উন্নয়নের ও প্রগতিশীলতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। প্রাইমারী ও মাধ্যমিক স্কুলগুলোতে আধুনিক শিক্ষা উপকরন বিতরণ, ভবন নির্মাণ, অর্থ সহায়তা করে তিনি ধামরাইয়ের মানুষের জীবন তথা রাজনৈতিক জীবন ধারাকেই পরিবর্তন করে দিয়েছেন।

উপজেলার প্রায় প্রতিটি অঞ্চলের স্কুল, কলেজ, মসজিদ, মন্দির, রাস্তা-ঘাট উন্নয়নসহ বিভিন্ন এলাকায় নদীর উপর ছোট ও বড় সেতু নির্মান, বংশী নদীর উপর ১৮টি বড় ব্রীজ নির্মাণ, এছাড়াও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে তার সীমাহীন অবদান, আধুনিক রাজনীতি প্রতিষ্ঠায় নিজ তহবিলের অর্থ প্রদানের পাশাপাশি প্রায় প্রতিদিনই ধামরাইয়ের প্রত্যন্ত অঞ্চলে তার আগমনের মুখরিত।

এসকল কর্মকান্ডেই এম এ মালেক পৌছে গিয়েছিলেন গণ মানুষের কাতারে। উপজেলার সর্বস্তরের মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন তিনি। এজন্যই  উপজেলার লাখো জনতা তাকে ফুলের সংবর্ধনায় সিক্ত করে উপাধি দেন জনবন্ধু।

ধামরাইয়ে মানুষের কাছে তিনি আস্থা অর্জন করেছিলেন এভাবেই যে, ধামরাইকে তিনি আসলে কিছু দিতে এসছেন কিছু নিতে আসেননি। জাতীয় পর্যায়ে তাকে নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা যাই থাকুক তিনি স্বপ্ন দেখিেেয়ছেন মানুষকে ধামরাইকে আধুনিকায়ন করার এবং তিনি তা করছেন বলে পরিলক্ষিত হচ্ছে।

সংসদ সদস্য এম এ মালেক ক্ষমতায় আসার পর থেকেই জামাত-বিএনপি ঘাটি হিসেবে পরিচিত ধামরাই ভেঙে তচ্ছনছ করে তিনি আওয়ামীলীগের ঘাটি হিসেবে পরিচিতি ঘটান। তিনি আধুনিক রাজনীতির বীজ রোপন করে বর্তমান প্রেক্ষাপটে এক বিশাল গাছ হিসেবে গড়ে তুলেছেন। যার ফল হিসেবে বর্তমানে ১৫টি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এবং অধিকাংশ মেম্বার এখন আওয়ামীলীগ সমর্থিত।

ধামরাই পৌরসভা হওয়ার পর থেকে কোন দিনই পৌর নির্বাচনে আওয়ামীলীগ সমর্থিত প্রার্থী বিজয়ী হতে পারেনি। শুধুমাত্র এম এ মালেকের একান্ত প্রচেষ্টায় ও তার সঠিক দিক নির্দেশনায় এবার আওয়ামীলীগ সমর্থিত প্রার্থী গোলাম কবির পৌর মেয়র বিজয়ী হন।

আলাপ প্রসঙ্গে সাংসদ এম এ মালেক খবর টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, বিগত সময়ে যিনি এই আসনের আওয়ামীলীগ এর সংসদ সদস্য ছিলেন তিনি কখনো আওয়ামীলীগের উন্নয়ন চাননি। তিনি তার ব্যক্তিগত উন্নয়নের চিন্তা করেছেন। তাই প্রতিটি নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিত চেয়ারম্যান ও মেয়র প্রার্থীর সাথে গোপনে আতাত করে তাদেরকে বিজয়ী করেছেন।

আর আমি বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে মনে প্রাণে বিশ্বাস করি আর এও বিশ্বাস করি কেবল মাত্র আওয়ামীলীগ সমর্থিত ব্যক্তিরাই দেশের সঠিক উন্নয়ন করতে পারে। তাই প্রতিটি নির্বাচনে আমি আওয়ামীলীগ সমর্থিত প্রার্থীদের পক্ষে কাজ করেছি এবং সঠিক দিক নির্দেশনা দিয়ে তাদেরকে বিজয়ী করেছি।

সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ঢাকা জেলা পরিষদ নির্বাচনে সাধারণ সদস্য পদে ধামরাইয়ের ৪ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দীতা করেছেন। তাদের মধ্যে ২জন ছিলেন সাবেক এমপি বেনজীর আহমদ এর সমর্থিত। বেনজীর আহমদ সমর্থিত প্রার্থী উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন সাকু ও অজিত ঠাকুর আমার প্রার্থী হাজী মাহতাব আলম ও খাইরুল ইসলাম কাছে বিপুল ভোটে পরাজিত হয়।

জানা গেছে, পবিত্র রমজান মাসে প্রতিটি ইউনিয়ন, পৌরসভা ও ওয়ার্ড পর্যায়ে  স্থানীয় নেতা-কর্মীদেরকে সাথে নিয়ে ইফতার করেছেন এম এ মালেক। এমনকি বঙ্গবন্ধুর শাহাদাৎ বার্ষিকির অনুষ্ঠানও প্রতিটি ইউনিয়ন, ওয়ার্ড, পৌরসভা, পৌর ওয়ার্ডে আয়োজন করা হয়েছে।

সংসদ সদস্য এম এ মালেক তার ব্যক্তিগত অর্থায়নে প্রতিটি অনুষ্ঠান সফল করার জন্য সর্বদা নেতা-কর্মীদেরকে উৎসাহ দিয়ে থাকেন। অতীতে যা কখনো দেখা যায়নি। রাজনৈতিক আধুনিকায়ন ও  উন্নয়নের জোয়ারে ভাসছে ধামরাই (ঢাকা-২০) আসন।

জানা গেছে, বর্তমানে ৮৭টি স্থানে উন্নয়নমূলক কাজ অব্যাহৃত আছে। ইতিমধ্যে ধামরাইয়ের বংশী নদীসহ বিভিন্ন ছোট নদী ও খালের উপর প্রায় ২৩টি ব্রিজ নির্মানের কাজ শেষ হয়েছে। যার ফলে ধামরাইয়ের জীবনযাত্রার মান এখন আধুনিক ও উন্নত। এর মধ্যে উপজেলার প্রতিটি ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌচ্ছে গেছে। দুই একটি রাস্তা ছাড়া বাকি সব রাস্তাই এখন পাকা।

উন্নয়নের প্রসঙ্গে ধামরাই প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ বাবুল হোসেন জানান, প্রায় ১ যুগ ধরে ধামরাইয়ে সাংবাদিকতায় নিয়োজিত আছি। আমি বিশ্বাস করি এবং সব কিছু দিনের আলোর মতো পরিস্কার এম এ মালেক আধুনিক ধামরাইয়ের রুপকার। তার সময়ে ধামরাইয়ের প্রায় উন্নয়নের ৯০ভাগ সম্পন্ন হয়েছে। তিনি জনপ্রিয় একজন নেতা ও আওয়ামীলীগের দুঃসময়ের একজন কান্ডারী ও নিবেদিত প্রাণ। এক কথায় বলা যায় ধামরাইয়ের উন্নয়ন ও রাজনীতিতে আধুনিক নতুন ধারার প্রবর্তক জনবন্ধু আলহাজ্ব এম এ মালেক।

web-ad

আপনার মতামত দিন

আপনার ই-মেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না, এই চিহিৃত ঘরটি অবশ্যই পূরণ করতে হবে *

*