প্রচ্ছদ / লীড নিউজ / নব্য জেএমবি’র নেতা ‘রাজীব গান্ধী’ গ্রেফতার
home-ad-620-x-90
গ্রেপ্তারকৃত জেএমবি'র নেতা জাহাঙ্গীর আলম ওরফে রাজীব গান্ধী

নব্য জেএমবি’র নেতা ‘রাজীব গান্ধী’ গ্রেফতার

অনলাইন ডেস্ক  :  রাজধানীর গুলশান ও কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়ায় জঙ্গি হামলার অন্যতম পরিকল্পনাকারী, নব্য জেএমবি’র নেতা জাহাঙ্গীর আলম ওরফে রাজীব গান্ধীকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট।

শনিবার ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্স-ন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের প্রধান ও ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার মনিরুল ইসলাম জানান, গুলশান হামলায় জড়িত যে কয়জনকে জীবিত ধরা হয়েছে তাদের মধ্যে জাহাঙ্গীর আলম ওরফে রাজীব গান্ধী অন্যতম।

শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে টাঙ্গাইল থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

তিনি আরও জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ‘রাজীব গান্ধী’ গুলশান ও শোলাকিয়া হামলায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন।

পুলিশের অভিযানে নিহত জঙ্গি নেতা তামিম ও মারজানের সঙ্গে গুলশান হামলার পরিকল্পনায় তিনি সরাসরি জড়িত ছিলেন। এ ছাড়া, জাপানি নাগরিক কুনিও হোশি, টাঙ্গাইলের দরজি নিখিল চন্দ্র জোয়ারদার, পাবনার পুরোহিত নিত্তরঞ্জন পান্ডে, রংপুরের মাজারের খাদেম রহমত আলী, কুষ্টিয়ার চিকিৎসক সানাউর, পঞ্চগড়ের পুরোহিত যজ্ঞেশ্বর, দিনাজপুরের হোমিও চিকিৎসক ধীরেন্দ্রনাথ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক রেজাউল করিম সিদ্দিকী, শিয়া মসজিদে হামলাসহ ২২টি হত্যায় তিনি পরিকল্পনাকারী ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, জাহাঙ্গীর আলম আরও স্বীকার করেছেন যে, তিনি গুলশান হামলায় অংশগ্রহণকারী মো. খায়রুল ইসলাম পায়েল ওরফে বাঁধন, মো. শফিকুল ইসলাম উজ্জ্বল ওরফে বিকাশকে নব্য জেমএবিতে ঢোকান। পরে তাদের হামলার জন্য বাছাই করেন। শোলাকিয়া হামলায় জড়িত শফিউল ইসলাম ওরফে ডনকেও তিনি প্রস্তুত করেছিলেন। নব্য জেএমবিতে যোগ দেয়ার আগে জাহাঙ্গীর ওরফে রাজীব গান্ধী জেএমবির সুরা সদস্য নজরুল ইসলামের সহযোগী ছিলেন। জাহাঙ্গীর একাধিক নাম ব্যবহার করেন। এগুলো হলো- রাজীব গান্ধী, সুভাষ, টাইগার, আদিল, জাহিদ। জঙ্গি নেতা ‘রাজীব গান্ধী’ হিসেবেই তিনি বেশি পরিচিত।

তার দেয়া তথ্যগুলো যাচাই বাছাই করা হচ্ছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।

উল্লেখ্য, গত বছরের ১ জুলাই ঢাকার অভিজাত গুলশান এলাকায় হলি আর্টিজান বেকারিতে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটে। জঙ্গিরা ওই রাতে ২০ জনকে হত্যা করে যাদের ৯ জন ইতালি, ৭ জন জাপান, ৩ জন বাংলাদেশি এবং ১ জন ভারতীয় নাগরিক। এছাড়া, সন্ত্রাসীদের হামলা দুজন পুলিশও নিহত হন। পরে হামলাকারী ৬ জঙ্গিও কমান্ডো অভিযানে প্রাণ হারান।

web-ad

আপনার মতামত দিন

আপনার ই-মেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না, এই চিহিৃত ঘরটি অবশ্যই পূরণ করতে হবে *

*