প্রচ্ছদ / লীড নিউজ / আদালত বসেছে, খালেদার অপেক্ষা
home-ad-620-x-90

আদালত বসেছে, খালেদার অপেক্ষা

অনলাইন ডেস্ক: জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের অর্থ আত্মসাতের মামলায় আত্মপক্ষ সমর্থনের ওপর শুনানিতে অংশ নিতে আদালতে যাচ্ছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

বৃহস্পতিবার সকালে পুরান ঢাকার বকশীবাজারে কারা অধিদপ্তরের প্যারেড মাঠে স্থাপিত তৃতীয় বিশেষ জজ আবু আহমেদ জমাদারের অস্থায়ী আদালতে হাজির হবেন তিনি।

খালেদা জিয়ার আইনজীবী অ্যাডভোকেট সানাউল্লাহ মিয়া ঢাকাটাইমসকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সকাল ১১টায় খালেদার আদালতে হাজির হওয়ার কথা থাকলেও এখন পর্যন্ত তিনি আসেননি।

খালেদার জিয়ার হাজিরা দেয়াকে কেন্দ্র করে অস্থায়ী আদালত এলাকায় কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। সেখানে সবার শরীরে তল্লাশি চালিয়ে ভেতরে প্রবেশ করতে দেয়া হচ্ছে।

গত ১০ নভেম্বর আদালতে হাজির হয়ে আত্মপক্ষ সমর্থনের বিষয়ে খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা দুই সপ্তাহের সময় চাইলে আদালত ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত সময় দেন। কিন্তু ওই তারিখে হাজির না হয়ে আইনজীবীর মাধ্যমে খালেদা জিয়া সময় আবেদন করলে আদালত ১ ডিসেম্বর নতুন দিন ধার্য করেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, আত্মপক্ষ শুনানির সময় বিচারক দুদকের পক্ষে খালেদা জিয়াসহ আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে উপস্থাপিত সাক্ষ্য-প্রমাণ আসামিদের পড়ে শোনাবেন। পরে আসামিদের কাছে জিজ্ঞাসা করা হবে তারা দোষী না নির্দোষ। যদি আসামিরা নিজেদের দোষী বলেন, তবে বিচারক এদিনই আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ড ঘোষণা করতে পারবেন। আর যদি আসামিরা নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন, তাহলে বিচারক আসামিপক্ষে কোনো সাফাই সাক্ষ্য দিবেন কি না তা জানতে চাইবেন।

সাফাই সাক্ষ্য দিতে চাইলে বিচারক সাফাই তালিকা চাইবেন এবং সাফাই সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ ধার্য করবেন। আর যদি সাফাই সাক্ষ্য না দিতে চান তবে বিচারক যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ধার্য করবেন। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের পরই মামলায় রায় ঘোষণার দিন ধার্য করা হবে।

এছাড়া বৃহস্পতিবার জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের অর্থ আত্মসাতের দুর্নীতির মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য আছে।

২০০৫ সালে কাকরাইলে সুরাইয়া খানমের কাছ থেকে ‘শহীদ জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট’-এর নামে ৪২ কাঠা জমি কেনা হয়। কিন্তু জমির দামের চেয়ে অতিরিক্ত এক কোটি ২৪ লাখ ৯৩ হাজার টাকা জমির মালিককে দেয়া হয়েছে বলে কাগজপত্রে দেখানো হয়, যার কোনো বৈধ উৎস ট্রাস্ট দেখাতে পারেনি। জমির মালিককে দেয়া ওই অর্থ ছাড়াও ট্রাস্টের নামে তিন কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা অবৈধ লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে।

২০১০ সালের ৮ আগস্ট জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়াসহ চারজনের নামে তেজগাঁও থানায় দুর্নীতির অভিযোগে মামলাটি করেছিলেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সহকারী পরিচালক হারুনুর রশিদ।

ওই মামলার অপর আসামিরা হলেন- খালেদা জিয়ার সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, হারিছের তখনকার সহকারী একান্ত সচিব ও বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) নৌ নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান।

 

web-ad

আপনার মতামত দিন

আপনার ই-মেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না, এই চিহিৃত ঘরটি অবশ্যই পূরণ করতে হবে *

*